বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১১:২৬ অপরাহ্ন১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১১ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম :
দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী রুহানী আমরীন টুম্পার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচন ।। নৌকা প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বিজয়ী, জামানত হারালেন বিএনপি দাউদকান্দিতে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচনে নৌকার গণজোয়ার সৃস্টি হয়েছে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে ——–মেয়র নাইম ইউসুফ সেইন বিএনপির সভায় ভোট চাইলেন আওয়ামীলীগ প্রার্থী দাউদকান্দিকে মডেল উপজেলায় রূপান্তর করতে নৌকাকে বিজয়ী করুন। —— মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী দাউদকান্দিতে ভিটামিন এ প্লাস কর্মসূচির উদ্বোধন দাউদকান্দির সুন্দুলপুর ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ৭৪তম জন্মদিন উদযাপন জাতীয় শোক দিবসে মেঘনা যুবলীগের আলোচনা সভা।
বীরের মর্যাদায় বরণ বিশ্বজয়ীদের

বীরের মর্যাদায় বরণ বিশ্বজয়ীদের

লিটন হায়দারঃ মুখগুলোয় ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তবুও কমে না হাসির উজ্জ্বলতা। সময়ের হিসাবে দিন ঘনিয়ে আসা ভ্রমণও টলাতে পারে না আনন্দ উদযাপনের উপলক্ষে দাঁড়িয়ে থাকা।  বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় শ’খানেক মোটরবাইক আর হাজার দুয়েক সমর্থকের ‘বাংলাদেশ’ চিৎকারের মাঝেই আগমন ঘটে আকবরদের।

তাদের চিরচেনা মিরপুরের আজ রঙ বদলেছে। লাল-নীল বাতিতে রঙিন হয়েছে চারপাশ, সাকিব আল হাসানদের নয়, বড় বড় ব্যানার টানানো হয়েছে আকবরদের ছবি দিয়ে। হাজার দুএক সমর্থকের ভীড়ে গেট টপকে ঢুকতে মিনিট দশেক লেগে গেল তাতে, তানজিদ হাসানরা তাতে বিরক্ত হননি নিশ্চিত। বরং বিমানবন্দরে পাওয়া ফুলের মালা পরে মুখে চওড়া হাসি দিয়েই দেন সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব। এরপর মাঠে এলেন ট্রফি হাতে। মিরপুরে গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডের হাজার খানেক দর্শক যেন তখন পুরো বাংলাদেশের প্রতিবিম্ব।

গ্যালারিতে গগণবিদারী চিৎকার আর আকবরদের মাথার উপর রঙিন কাগজের টুকরো। আহা! বিশ্বজয়ের পর এমন অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্যের দেখা কি আর প্রতিদিন মেলে। তাই তো সংবাদকর্মীদের হুড়াহুড়িতে বিছানো লাল-গালিচাতেই পা মাড়ানো হলো না আকবর আলীদের।

তা না হোক, লাল গালিচায় না চড়লে কি আর এই বিশ্বজয়ের মাহাত্ম্য কমে। একটুও না, একবিন্দুও। বিসিবি সভাপতি তো তাই বলেন অকপটে, ‘আমাদের অনেক অর্জন আছে, তবে ওরা যেটা করেছে সেটার সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা হয় না। বিশ্বকাপ, বিশ্বকাপই। ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর।’

একইসঙ্গে জানিয়ে দেন এই দল নিয়ে তাদের বৃহৎ পরিকল্পনার কথা। নতুন করে গঠিত হবে অনূর্ধ্ব-২১ দল। যাদের সবাইকেই মাসিক বেতন দেয়া হবে ১ লাখ টাকা করে।

দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে বিশ্বকাপজয়ী যুবাদের ফুলের সংবর্ধনা    – ছবি : দৈনিক জাগো

চারদিকের এমন উচ্ছ্বাস। প্রত্যাশা কী ছিল আকবরদের? যুব অধিনায়ক দৃঢ়চেতা কণ্ঠেই জানান দেন, তারা এসব ভেবে খেলতে যাননি, ‘বোর্ড যা দিয়েছ, তার জন্য ধন্যবাদ। তবে আমরা বিসিবির কাছ থেকে কোনো কিছু পাব- সেই আশা নিয়ে খেলতে যাইনি। আমাদের যাওয়ার আগেই ফাইনাল খেলার পরিকল্পনা ছিল।’

আরো জানিয়ে দেন, এমন আয়োজন ছিল ধারণার বাইরের, আমরা হয়তো জানতাম কিছু একটা হবে, কিন্তু এত বড় করে হবে সেটা আশা করিনি। এটা এককথায় অবিশ্বাস্য।’

আকবরের কাছে তাদের বরণ করে নেয়ার এই আয়োজন অবিশ্বাস্য ঠেকলেও বিসিবির পরিকল্পনা ছিল বহু আগের। আর তার পেছনেও আছে এক গল্প, আর শুরুটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথায়।

সেই গল্প জানিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘এটা অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল আমাদের। আমরা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যখন টেস্ট জিতে যাই। তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুব খুশি হয়েছিলেন। উনি তখন বলেছিলেন এবার একটা বিশ্বকাপ দেখতে চাই। তখন থেকেই আসলে পরিকল্পনা হয়।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
© "আমাদের দাউদকান্দি" কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT