বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:৩০ অপরাহ্ন১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা উত্তর জেলা আ’লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হলেন মোতাহার হোসেন মোল্লা কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন চলে গেলেন দেশের ফুটবলের অন্যতম তারকা বাদল রায় দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী রুহানী আমরীন টুম্পার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচন ।। নৌকা প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বিজয়ী, জামানত হারালেন বিএনপি দাউদকান্দিতে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচনে নৌকার গণজোয়ার সৃস্টি হয়েছে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে ——–মেয়র নাইম ইউসুফ সেইন বিএনপির সভায় ভোট চাইলেন আওয়ামীলীগ প্রার্থী দাউদকান্দিকে মডেল উপজেলায় রূপান্তর করতে নৌকাকে বিজয়ী করুন। —— মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী
বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিপিএল পেল নতুন চ্যাম্পিয়ন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিপিএলের এবারের আসরটি আয়োজন করা হয়। এই বিশেষ বিপিএল দিয়েই বিপিএলে দেখা মিললো নতুন চ্যাম্পিয়নদের। জমজমাট ফাইনালের মঞ্চে মুশফিকের খুলনা টাইগার্সকে ২১ রানে হারিয়ে সপ্তম আসরের শিরোপা নিশ্চিত করলো রাজশাহী কিংস। ২০১৬-১৭ মৌসুমে রাজশাহী কিংস নামে রানার্স আপ হয়েছিল দলটি।

শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭০ রান সংগ্রহ করেছে রাজশাহী রয়্যালস। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানেই থামে মুশফিকের খুলনা টাইগার্স। এতে ২১ রানে জিতে রাজশাহীর ঘরে উঠে বিপিএলের শিরোপা।

গেল ছয় আসরের মধ্যে সবচেয়ে তিনবার শিরোপা জিতে ঢাকা। ঢাকা গ্লাডিয়েটর্স নামে দু’বার ও একবার ঢাকা ডায়নামাইটস নামে। দু’বার শিরোপার স্বাদ নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও একবার শিরোপা জিতে রংপুর রাইডার্স।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহী ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১৪ রানে প্রথম উইকেট হারায়। আমিরের বলে মিরাজের দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরে যান ওপেনার আফিফ হোসেন। ৮ বলে ১০ রান করেন তিনি। এরপর ৪৯ রানের জুটি গড়েন ইরফান শুক্কুর ও লিটন দাস।

বিপিএলে দারুণ ফর্মে থাকলেও ফাইনাল ম্যাচে ভালো কিছু করতে পারেননি লিটন। ২৮ বলে ২৫ করে দলীয় ৬৩ রানে বিদায় নেন তিনি। এরপর শোয়েব মালিক নেমে ১৩ বলে ৯ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।

অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানরা সুবিধা না করতে পারলেও দারুণ খেলছিলেন ইরফান শুক্কুর। ৩০ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশত পূরণ করার পর ইনিংসকে বড় করতে পারেননি তিনি। ব্যক্তিগত ৫২ রানে শফিউলের হাতে ক্যাচ হয়ে ফেরেন তিনি। পরে রাসেল ও নওয়াজ ৭১ রানের জুটি গড়ে অপরাজিত থাকেন।

খুলনার বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ আমির ২টি, ফ্রাইলিঙ্ক ১টি ও শহীদুল ১টি করে উইকেট নেন।

১৭১ রানের জবাবে খুলনা ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারায়। দলীয় শূন্য রানে ফিরে যান শান্ত। দলীয় ১১ রানে বিদায় নেন অপর ওপেনার মিরাজ। এরপর শামসুর ও রুশোর ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় খুলনা। দুজনে ৭৪ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৮৫ রানে এই জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ নওয়াজ।

১৪তম ওভারে শামসুর ও নাজিবউল্লাহকে ফিরিয়ে বড় ধাক্কা দেন রাব্বী। খুলনা এই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি। মুশফিককে নিয়ে ভরসা থাকলেও ১৫ বলে ২১ করে ফিরে যান তিনি।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





themesba-zoom1715152249
© "আমাদের দাউদকান্দি" কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT