রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৭:২৫ অপরাহ্ন১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১৫ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম :
নাইম ইউসুফ সেইনের হাসানপুরের পথসভা জনসভায় রূপ দাউদকান্দিতে প্রথম করোনার টিকা নেবেন উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) মোহাম্মদ আলী সুমন দাউদকান্দিতে নৌকায় ভোট চাইলেন জেলা যুবলীগ প্রচারণায় ব্যস্ত মেয়র প্রার্থী নাইম ইউসুফ সেইন দাউদকান্দিতে আ’লীগের মেয়র প্রার্থী নাইম ইউসুফ সেইনের গণসংযোগে মানুষের ঢল মেঘনায় যুবলীগ নেতা মুজিবুর রহমানের শীতবস্ত্র বিতরণ দাউদকান্দিকে মডেল পৌরসভায় রূপান্তরিত করতে নৌকায় ভোট দিন : ——–নাইম ইউসুফ সেইন দাউদকান্দি পৌরসভায় প্রতীক বরাদ্দে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু গৌরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ভিপি সালাউদ্দিন রিপনের প্রস্তুতি সভা দাউদকান্দি পৌরসভায় ফের নৌকার মাঝি হলেন নাইম ইউসুফ সেইন
দাউদকান্দিতে নিয়ন্ত্রণহীন নিত্যপণ্যের দাম!

দাউদকান্দিতে নিয়ন্ত্রণহীন নিত্যপণ্যের দাম!

স্টাফ রিপোর্টারঃ
করোনা ভাইরাস সংক্রমনের পরিস্থিতিতে এবং রমজানের সুযোগ কুমিল্লার দাউদকান্দিতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজারে মালামাল কৃত্রিম সংকট স্বৃষ্টি করে চাল ডাল তেল, পেয়াজ, রসুন ও আদাসহ নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি করেছে।
আজ মঙ্গলবার(২৮এপ্রিল’২০২০) উপজেলার গৌরীপুর এবং দাউদকান্দি পৌরসদর বাজার পরিদর্শন করে দেখা যায়, মোটা চালের কেজি কয়েকদিন আগেও ছিল ৩৬ টাকা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা। মসুর ডাল মোটা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ টাকা, বর্তমানে সেই ডাল ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি। চিকন মসুর ডাল ছিল ১১০ টাকা, বর্তমানে ১৫০ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও আদার দাম ছিল ১২০ টাকা, মাঝখানে ৪০০ টাকায় বিক্রি হলেও আজ দেখা যায় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি। ৫০ টাকার মুঁড়ি বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা, চিনির দাম ৫০ টাকার পরিবর্তে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা।
পাইকারী ব্যবসায়ী দাউদকান্দির জুবায়েদ বানিজ্যালয় ও গৌরীপুরের ভাই ভাই বাণিজ্যালয় গিয়ে দেখা যায় আদা-১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা, পেয়াজ ৪২/৪৫ টাকা,রসুন দেশি ৮০/৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু খুচরা বাজারে এসে এর দাম দিগুন হয়ে যাচ্ছে। কারণ হিসেবে দাউদকান্দি বাজারের মা মনসা ভান্ডার ও মেসার্স হাসান খাদ্য ভান্ডারের মালিক জানান, আমরা আগে বেশি দামে কিনেছি তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কমদামে ক্রয় করার পর দাম বাড়লে কমদামে বিক্রি করে কিনা এমন প্রশ্ন এড়িয়ে যান ওই দুই প্রতিষ্টানের মালিক।
উপজেলার পৌরসদর ও গৌরীপুরের একাধিক ব্যাক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাজারে প্রশাসনের কোন মনিটরিং নেই। থাকলে প্রতিটি দোকানে মূল্য তালিকা থাকতো। আর মূল্য তালিকা না থাকায় যে যেভাবে পারছে দাম আদায় করছে।
গৌরীপুর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক নোমান মিয়া বলেন, করোনা ভাইরাস এবং রমজান মাস উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে রাখতে ব্যবসায়ীদের সাথে কয়েকদফা বৈঠক করেছি। তারপরও ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত দাম নিলে প্রশাসনের সহযোগিতায় এবার ছ¦দ্ধবেশে অভিযান চালানো হবে। যদিও এর আগে অতিরিক্ত মূল্য আদায় এবং মূল্যতালিকা না থাকায় কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছিলো।
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল ইসলাম খান বলেন, দাউদকান্দি, গৌরীপুর ও ইলিয়টগঞ্জ বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেছি, তাঁরা বলছে নিত্যপণ্যের দাম কমছে, কোন অজুহাতে খুচরা বাজারে অতিরিক্ত মূল্য রাখছে কিনা কমিটির মাধ্যমে খবর নিচ্ছ্।ি মূল্য তালিকা না থাকা এবং অতিরিক্ত মুনাফা লোভিদের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার আইনে বাজার মনিটরিং আরো জোরদার করা হবে।

শেয়ার করুন
  • 79
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  





error: Content is protected !!
themesba-zoom1715152249
© "আমাদের দাউদকান্দি" কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।
Developed By: Nagorik IT
error: Content is protected !!